Pages

Monday, December 21, 2015

লজ্জ্বা পান........তবুও কাউকে আপনার প্রেমে পাগল করতে চান??

লজ্জ্বা পান........তবুও কাউকে আপনার প্রেমে পাগল করতে চান?? ;);) (সোনামণি ও আপামণিদের জন্য না):::

আমি ভাই ব্যর্থ প্রেমিক। তবে ভাই-বেরাদর, বন্ধু-বান্ধব, দুলাভাইয়েরা সব সময়ই সমব্যথী ছিলেন। অতএব, তারা বিভিন্ন সময়ে তাদের বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে মেয়ে পটানোর কিছু অব্যর্থ টিপস দিয়ে আমার জ্ঞানের ভান্ডারকে সমৃদ্ধশালী করেছেন। সেই ভান্ডারের সামর্থ্যে আর কুলাচ্ছে না!! তাই কিছু আপনাদের জন্য ছেড়ে দিচ্ছি।
Image result for প্রেমে পাগল করতে

নিচের টিপসগুলো মূলত 'কঠিন হৃদয়যুক্ত' কোন কন্যাকে নরম করার গরম ফর্মূলা!(কারণ, আমার প্রতি সব কইন্যাই কেন যেন কঠিন। তাই এই ব্যাপারে সদুপদেশ ও পাইছি বেশী।)


টিপস ১. আপনি কি ভাই খুব ফিটফাট/ গোছালো? প্রথমেই মাইনাছ! কিছুটা অগোছালো, এলোমেলো ছেলেই নাকি সুন্দরী মেয়েদের বেশি পছন্দ! তবে সাবধান! উদ্ধত্যপূর্ণ কিংবা ছেঁড়া-ফাঁড়া পোশাক বাদ দিন। ভালো পারফিউম ব্যবহার করুন।


টিপস ২. মেয়ে ভাবলেশহীন ভাবে তাকিয়ে আছে? আপনি উদাসী হউন। নিজের ব্যাপার গুলো ভুলে যান বেশী করে। জ্ঞান ফলান। তবে হ্যাঁ, আঁতলামি কইরেন না আবার!


টিপস ৩. মেয়ে নরম হচ্ছে না? তাকে দাম দিন। প্রশংসা করুন- তবে মেপে মেপে। শরীর নিয়ে ভুলেও প্রশংসা করবেন না। করলে বিপুল মাইনাছ!! তার কাজকে গুরুত্ব দিন। কোন গুণ থাকলে তার প্রশংসা করুন। পোষা প্রাণী থাকলে ওটারও প্রশংসা করুন(আপনার পছন্দ না হলেও!)


টিপস ৪. মেয়ে বেশি ভাব-গম্ভীর? ঘন ঘন তাকান। বাছাই করা জোক্‌স দিয়ে রসিকতা করুন। হাসুন-- হাসতে দিন। হাসি মুখ যে কাউকে আকর্ষণ করে।


টিপস ৫. কাজ হচ্ছে না? দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারছেন না?? কিছুটা যৌনতার দিকে যান। কথার ফাঁকে আপনার চুলে হাত বোলান। আপনার দিকে তাকালে জিভ্‌ দিয়ে ঠোঁট চাটুন (বেশী করা যাবে না।) পশমী বুক থাকলে জামার দু'একটা বোতাম খুলে দিন। ভদ্র ভাবে যৌনতা দেখান......... নরম হবেই!!


টিপস ৬. মেয়ে অতিরিক্ত কঠিন? একেবারেই কাজ হচ্ছে না?? উলটো পথে হাঁটুন। জানেন তো, মাইনাছে মাইনাছে পিলাচ! এইবার দাম কিছুটা কম দেন। অন্য কারো সাথে ক্ষীর খান(মেয়ে হইলে ভালো)!! হঠাৎ দাম কমে গেলে সে কিছুটা জ্বলবেই। জ্বলে পুড়ে অঙ্গার হতে দিন। পড়ে আগুন নিভে গেলে বুঝবে......... আপনি ছাড়া গতি নাই!!



এগুলোতে কোন কাজই হলো না?????


ভয় পাবেন না। ভাত হাত দিয়ে খাওয়া যায়, আবার চামুচ দিয়াও খাওয়া যায়! অর্থাৎ ঘুরপথে আন্টির কাছে যান। মনে রাখবেন, পরিবারও অনেক সময় পছন্দে প্রভাব ফেলে।


টিপস ৭. আন্টিকে কদমবুচি করেন। শরীর-স্বাস্থ্যের খবর নেন। পারিবারিক বিষয় নিয়ে আলাপ করেন। তবে সাবধান!! এতক্ষণ মেয়ের সাথে যা যা করছেন......... আন্টির সাথে আবার রিপিট মাইরেন না! তাইলে আমার লেখা পুরাই ব্যর্থ!!


মা মেয়ের চেয়ে আরো বেশী কঠিন??
কিন্তু মেয়েটা যে বেশী জটিল!! এর সাথেই ভাঁজ খাইতে মনে চায়!!!


তাইলে আর কি? শেষ ভরষা......... তাহার পিতা!


টিপস ৮. এইবার ভুলেও উদাসী পাট লইয়েন না। ফিটফাট হয়া যান। কদমবুচি রিপিট লন। শরীরের খবরও লন। এরপর ইঞ্জিন স্টার্ট দেওয়ার মত পিতার পছন্দের কোন বিষয়ে কথার আরম্ভ কইরা দেন। সামনে নাশতা আসছে? খাওয়ার কথা ভুলে যান! খালি উৎসাহী বদনে শুনে যান। গাম্ভীর্য বজায় রাখুন। পরবর্তীতে ঘরে আপনার প্রশংসা হবেই। এতে যদি মেয়ে কিছুটা গলে!!!!


পরিশেষঃ
" যদি দেখেন টিপ্‌স গুলাতে কোন কাজ-ই হয় না
বুঝিবেন এই মেয়ে আপনার সাথে যায় না !! "

"ছেড়ে দিয়ে এই মেয়েকে পটানোর ধান্দা
নামাজ ধরে হয়ে যান খোদার প্রিয় বান্দা।"

মেয়ে পটাতে চান?তাহলে দেখুন তো এই টিপস গুলো :

মেয়ে পটাতে চান?তাহলে দেখুন তো এই টিপস গুলো কাজে লাগাতে পারেন কিনা ! 18- ও ইভটিজারদের প্রবেশ নিষেধ।

করণীয় বিষয়াদি

প্রথমে বলে রাখি, আপনার বুঝতে হবে আপনি যাকে পছন্দ করেন মনে মনে সে কেমন মন মানসিকতার।কারণ প্রত্যেকটি মানুষই পৃথিবীতে এক ও অনন্য,কারো সাথে কারো মিল নেই।আর তাই আপনার পছন্দের মানুষ টি কেমন তা বুঝতে পারা অনেক বড় একটি ব্যাপার।যদিও কথার কথা মেয়েদের মন নাকি ঈশ্বর ও বুঝতে পারেন না।ঈশ্বর বুঝুক আর না বুঝুক আপনাকে বুঝতে হবেই,এই বুঝাকে একটু সহজ করতে,একটা গোপন কথা বলি,যে কোন মেয়েই হোক না কেন(হোক সে ডিজুস মেয়ে আর হোক সে সাদাসিধে বাঙ্গালি মেয়ে)সব মেয়েই চায় একটা আশ্রয়।আশ্রয় মানে,তাকে আপনি কি ভাবে নিচ্ছেন…হোক সেটা বন্ধু হিসেবে,হোক সেটা কলিগ হিসেবে,হোক সেটা লাইফ পার্টনার হিসেবে।আর সেই টাকে পুঁজি করে আপনই আপনার ভালোবাসার বীজ বুনবেন।

Image result for প্রেম-ভালোবাসা সম্পর্কে বিখ্যাত মনিষীদের কিছু উক্তি বা বানীঃ
 
কয়েকটি একস্যাপসনাল বিষয়াদি:

১.কিছু বদ রাগী অথবা জেদি,অথবা দেমাগি মেয়ে আছে এদের সাথে এদের অহংকার ভেঙ্গে দেওয়ার চেষ্টা করেন যুক্তি তর্ক দিয়ে মার্জিত উপায়ে।

২.আপনার সেন্স অব হিউমারের প্রয়োগ করবেন কথা বলার সময়,তাছাড়াও হাস্যরস্তাক কিছু জিনিস ও যোগ করতে পারেন।

৩.ইনডায়ক্টলি বোঝার চেষ্টা করবেন আপনার সম্পর্কে সে কি ভাবে।

৪.অবার নিজেকে হেল্প করার নামে একেবারেই সহজলভ্য করে ফেলবেন না তার কাছে।সহজলভ্য হলে আপনাকে বলদের মত ইউজই করবে শুধু।

৫.মোটরসাইকেল চালাতে পারলে ভালো,যদিও আমি পারি না।যদি না পারেন তাহলে রিক্সায় করে বেরোতে পারেন।

৬.রিলেশন হওয়ার পর কখনই তড়িঘড়ি করে সেক্সুয়াল ইন্ডিকেশনে যাবেন না,চেষ্টা করবেন তার মনোভাব বুঝতে,জোরজবরদস্তি করবেন না।

৭.দুইবার যদি ইন্টারেস্ট করে ব্যর্থ হন,তাহলে তৃতীয়বার চেষ্টা করে বিরক্ত করবেন না।

৮.ভালোবাসার মানুষটিকে পঁচাবেন না অন্য কারো সামনে।

৯.ফানি হতে গিয়ে নিজেকে জোকার বানাবেন না।

১০.যেই বিষয়ে আপনার জ্ঞান বা ধারনা নেই তা নিয়ে কখনো তর্কে যাবেন না।

 সবশেষে বলব হাজারো উপায় হয়তো আছে কাউকে আপনার দিকে নিয়ে আসার এগুলো হচ্ছে শুধু কিছু বেসিক অ্যাপ্রোচ।এ ম্যানর গুলো হয়তো আমরা সবাই জানি কিন্তু মানি না।সুতরাং আপনার কথা বলা,আচরণ,দৃষ্টি,বিশ্বাস আপনাকে আলাদা করতে পারে আরেকজনের কাছে।যদি আপনার ভালোবাসার মানুষের কাছে অপশন ও থাকে তাহলে আপনার পজিটিভ অ্যপ্রোচ আপনাকে জয়ী করে দিতে পারে সহজেই।কারণ,সব মেয়েই চায় ডিফারেন্ট কোন কিছু।আর ভালবাসা হওয়ার পর,তাকে আগের মতই ট্রিট করবেন,সম্মান দিবেন,ভালোবাসার রূপ বদলাবেন যেন ভালোবাসা পুরনো ও একঘেয়ে না হয়ে যায় কখনো,আর একটা স্বপ্ন বুনে দেওয়ার চেষ্টা করবেন,যেই স্বপ্ন কে সাথী করে আপনার সাথে থাকবে সর্বদা আপনার ভালোবাসার মানুষটি।

নিজেকে সবার আকর্ষনীয় করার কিছু টিপস

কথার জোরে নিজেকে জাহির করা আর ভেতরের সৌন্দর্য দিয়ে অন্যের হৃদয়ে স্থান করে নেয়া দু'টি পৃথক ব্যাপার। আসুন, ভ্রান্ত বিশ্বাস থেকে সরে এসে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে অতিরিক্ত সময়গুলোকে স্তরে স্তরে ভাগ করি। মতামত দেয়ার সময় পরিস্থিতি মেনে সেটাই বলি, যা মানুষ আমাদের কাছে প্রত্যাশা করে। ইয়ার্কির ছলে সুক্ষ্মভাবে অন্যকে শ্লেষ করলে প্রকারান্তরে তাকে আঘাত দেয়াই হয়। অন্যদিকে কেউ যদি আপনকে নিয়ে মজা করলেও ঠোঁটের কোণের হাসিটা ধরে রাখা উচিত্‍। একে গভীরভাবে না নিয়ে গা থেকে ঝেড়ে ফেলাই উত্তম।

আমাদের দৈনন্দিন জীবনের আনাচে-কানাচে নেতিবাচক নানা প্রভাব ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে। মাঝে মাঝে এই ভেবে আশ্চর্য হতে হয়, আমাদের চারপাশের জগৎ কেন এত অসংযত, কেন এত সংকীর্ণ! আমাদের কর্মক্ষেত্রে জুনিয়রদের নিয়ে নির্ধারিত মিটিংয়ের সময় এমন কোনো বক্তব্য দেয়া ঠিক নয় যাতে আমাদের অবস্থান নাজুক হয়ে যায়। আবার বসের প্রশংসা করতে গিয়ে অতিরিক্ত কথা না বলে ফেলাই শ্রেয়। সংক্ষেপে বলতে গেলে 'কোনকিছু বলতে গিয়ে অতিউৎসাহী না হওয়াই ভাল।'

অনেক সময় অপ্রিয় সত্যেরও অবতারণা করা ঠিক নয়, কেননা অনেকেই এটা হজম করতে পারে না, সেটা যত দৃঢ় সত্যই হোক না কেন। কেউ যদি আমাদের আত্মসম্মানে আঘাত দেয় আর আমরা এর কড়া প্রতিক্রিয়া দেখাই- তবে এর ফলে কী হতে পারে? আনন্দঘন মুহূর্তটি নিমেষে বিষাদময় হয়ে যেতে পারে। কিন্তু সেই সময়েও মাথা ঠান্ডা রেখে হাসি হাসি মুখ করে তাকে ধন্যবাদ জানানোই ভাল। যতক্ষণ আমাদের মনোভাব ইতিবাচক থাকবে ততক্ষণ সামান্য মিথ্যেও মিথ্যা হিসেবে বিবেচিত হবে না।

Image result for প্রেম-ভালোবাসা সম্পর্কে বিখ্যাত মনিষীদের কিছু উক্তি বা বানীঃ

কিভাবে একজন মানুষ ইতিবাচক হয়ে উঠতে পারে? এ ব্যাপারে মনোচিকিৎসক ও 'লাইফস্টাইল' পরামর্শক ডা. এসকে শর্মা ১০টি পরামর্শ দিয়েছেন।

১. থাকতে হবে ইচ্ছাশক্তি

সকলের ভালোবাসার মানুষ হয়ে উঠতে গেলে থাকতে হবে ইচ্ছাশক্তি। এই ইচ্ছাশক্তি আপনার জীবনযাত্রার মানে উৎকর্ষ বৃদ্ধি করতে সহায়তা করবে। 'ইতিবাচকতা' এটা একটা আবরণের মতো। যখন আপনি মানুষের মনে বিশ্বাস স্থাপন করতে পারবেন, মানুষ আপনাকে বিশ্বাস করতে শুরু করবে। তখনই আপনি হয়ে উঠবেন ইতিবাচক মানুষ। আপনি যখন দ্রুত সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি করে ফেলতে পারবেন তখন আপনাকে আপনার চারপাশের মানুষ ভদ্রতা দেখাবে, সহকর্মীরা আপনাকে উৎসাহ দেবে।

২. বাস্তবমুখী হতে হবে

একেবারে সাধু ব্যক্তি হওয়ার চেষ্টা না করাই ভাল। আপনি ইতিবাচক ব্যক্তি হয়ে উঠবেন, তার মানে এই নয় যে আপনার কোনো নেতিবাচক আবেগ থাকতে পারে না কিংবা কখনোই নেতিবাচক পরিস্থিতির শিকার আপনি হবেন না। সর্বোপরি পরিস্থিতি অনুযায়ী কী করতে হবে সেটা ঠিক করতে হবে। কোনো কাজে ব্যর্থ হলে হতাশাগ্রস্ত হবেন না কিংবা বিপথের দিকে ধাবিত হবেন না। মানসিকভাবে আপনি একটি গাণিতিক ছক কষে রাখুন, যাতে করে সামনের কঠিন পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে পারেন।

৩. অভিজ্ঞতা অর্জন করুন

একজন মনোযোগী পর্যবেক্ষক হোন। আপনার চারপাশে খেয়াল রাখুন। কিভাবে আপনি আরো বেশি ইতিবাচক উপাদান আয়ত্ত করতে পারবেন তার জন্য দৈনন্দিন জীবনের কর্মকাণ্ডে মনোযোগী হোন। এটা আপনার দৃষ্টিভঙ্গিকে আরো বেশি ইতিবাচক করে তুলবে। সময় বাঁচিয়ে আপনাকে কাজ করে যেতে হবে। পরিচিত 'চেহারা'র যে মূল্য আছে এ ব্যাপারটাকেও কাজে লাগানো শিখতে হবে। আপনার ভেতরে এই ক্ষমতাও তৈরি করতে হবে যেন আপনার আশেপাশের মানুষ আপনার কর্মকাণ্ডে প্রভাবিত হয়।

৪. পরিশীলিত করুন বক্তব্য ও শরীরের ভাষা

ভাষায় মার্জিত ও ইতিবাচক শব্দ ব্যবহার করতে হবে। সহকর্মীদের সাথে মিশতে হবে কাছাকাছি থেকে এবং বন্ধুত্বপূর্ণভাবে । শারীরিক উপস্থাপনা সবসময় পরিশীলিত থাকবে। আপনার আশেপাশে আনন্দময় কিছু ঘটলে চেহারায় আনন্দ ও সুখী সুখী ভাব নিয়ে আসুন। হাসির কিছু ঘটলে মুখে হাসি নিয়ে আসুন। কাছের মানুষদের মধ্যে কেউ নতুন কিছু অর্জন করলে তাকে অভিনন্দন জানাতে ভুলবেন না। তাদের মধ্যে কোনো ঘটনা ঘটলে সেটা স্বতঃস্ফূর্তভাবে বলার সুযোগ তৈরি করে দিন। এটা ভাববেন না যে আপনি একাই বুদ্ধিমান, আপনার চারপাশেও বুদ্ধিমানেরা আছে। কৌশলে চলুন।

৫. বন্ধুদের সময় দেয়ার ক্ষেত্রে লক্ষ রাখুন

একটিমাত্র পথেই যদি আপনি সকলের আস্থাভাজন হয়ে উঠতে চান সেক্ষেত্রে ইতিবাচক ও নেতিবাচক উভয় ঘটনাই ঘটতে পারে। আপনি যদি বন্ধুমহলে অধিকাংশ সময়ই রূঢ় আচরণ করেন তাহলে মনে রাখবেন আপনাকে একই ধরনের আচরণের মুখোমুখি হতে হবে। আপনার হৃদয়ে ইতিবাচকতা যদি গভীরভাবে থাকে তাহলে আপনার বন্ধুমহল হবে ইতিবাচক, কর্মদ্যোগী, হাসিখুশি ও প্রাঞ্জল। আপনি যেখানেই যাবেন সেখানেই নিজেকে ইতিবাচকভাবেই খুঁজে পাবেন।

৬. আলস্য দেখাবেন না

আলস বা আয়েসি হয়ে বসে থাকবেন না। অন্যদের সাথে থাকুন আর একা থাকুন, ইতিবাচক কাজের মধ্যে থাকবেন। জোক বলুন, মজার ঘটনা শেয়ার করুন, খেলাধুলায় অংশ নিন। কাজ শেষে হাঁটতে বের হন। যৌনতা উপভোগ করুন। একটা স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করুন।

৭. সবকিছু সহজেভাবে গ্রহণ করুন

প্রাত্যহিক জীবন থেকে আপনি আঘাত পেতে পারেন। এটা মেনে নিতে আপনাকে তৈরি থাকতে হবে। উদাহরণ স্বরূপ, আপনাকে প্রতিদিন ভীড়ের মধ্যে গাড়ি চালাতে অথবা পার্কিং করতে হতে পারে। যখন আপনি এই ব্যাপারগুলোতে অভ্যস্ত হয়ে যাবেন তখন আর কোনো সমস্যাই হবে না। নিজেকে এবং আপানার চারপাশের দুনিয়াকে খুব হালকাই মনে হবে।

৮. যোগ ব্যায়াম শিখে নিন

যোগ ব্যায়ামের শিক্ষক ও পুষ্টিবিদ অভিলাষ কেইল বলেন, 'প্রতিদিন প্রার্থনা করুন, এটা আপনার ভেতরকে প্রকাশ করতে সহায়তা করবে, আত্মনিয়ন্ত্রণ করতে শেখাবে।' এটা যে শুধু নিরবেই সুখ বিচ্ছুরিত করবে তা নয়, খুব অল্প সময়েই আপনার ইন্দ্রিয়কে সচেতন করে তুলবে। যোগব্যায়মের মাধ্যমে শ্বাস-প্রশ্বাসকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়, ফলে আপনার মনকেও বিস্ময়করভাবে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসতে পারবেন। সব সময় যোগ ব্যায়াম করুন, কেননা আপনি অনুভব করতে পারবেন আপনার শিরা-উপশিরায় ইতিবাচক শক্তি প্রবাহিত হচ্ছে, যা আপনার স্নায়ুকে স্থিতিশীল রেখে আপনার মানসিক অবস্থাকে উন্নত করবে। এটা বলার অপেক্ষা রাখে না যে এর ফলে আপনার সহনশীলতা বহুগুন বৃদ্ধি পাবে।

৯. ডায়েরি লিখুন

একটা সময় নির্ধারণ করে দিনের সমস্ত কাজগুলোকে মনে করুন, এখান থেকে ভাল কাজগুলো আলাদা করে ডায়েরিতে লিপিবদ্ধ করুন। এটা খুব সামান্য ব্যাপারও হতে পারে- যেমন কর্মক্ষেত্রে যাওয়ার উদ্দেশ্যে আপনার বাসে আরোহন করা, আপনার মায়ের হাতের তৈরি সুস্বাদু নাস্তা, সময়মতো বকেয়া বিল পরিশোধ করা ইত্যাদি। এতে চোখের সামনে নিজের করা ছোট একটি ইতিবাচক কাজ দেখতে পারবেন। তখন নিজের জীবনটাকে অর্থবহ মনে হবে। সেখানে কোনো নেতিবাচক অবস্থান থাকবে না। এই পরামর্শ খুব ভালোভাবে ১০ দিন আত্মস্থ করুন। ১০ দিন পর যখন আপনি আপনার লেখা ডায়েরিটি পড়বেন তখন আপনি নিজেই নিজেকেই দৃঢ়ভাবে সুখী ঘোষণা করবেন।

১০. বলুন ‘থ্যাঙ্ক ইউ’

সর্বশক্তিমানকে ধন্যবাদ দিন। বাবা-মাকে ধন্যবাদ দিন। বন্ধুদের ধন্যবাদ দিন। আপনি যে পরিশ্রম করছেন সেজন্য নিজেকেও ধন্যবাদ দিন। বারবার থ্যাঙ্ক ইউ বললে আপনি হয়ে উঠবেন বিনয়ী, বিনয়ী হলে আর নিরাশ হবেন না

প্রেম কথন-প্রেম-ভালোবাসা সম্পর্কে বিখ্যাত মনিষীদের কিছু উক্তি

প্রেম-ভালোবাসা সম্পর্কে বিখ্যাত মনিষীদের কিছু উক্তি বা বানীঃ

 Image result for প্রেম-ভালোবাসা সম্পর্কে বিখ্যাত মনিষীদের কিছু উক্তি বা বানীঃ

✬ আনন্দকে ভাগ করলে দুটি জিনিস পাওয়া যায়; একটি হচ্ছে জ্ঞান এবং অপরটি হচ্ছে প্রেম। - রবীঠাকুর।
✬ আমি চলে গেলে কেউ যদি আমার জন্য না কাদেঁ, তবে আমার অস্তিত্বের কোন মুল্য নেই। - সুইফট।
✬ আমি তোমাকে অসংখ্যভাবে ভালবেসেছি, অসংখ্যবার ভালবেসেছি, এক জীবনের পর অন্য জীবনেও ভালবেসেছি, বছরের পর বছর, সর্বদা, সবসময় → রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
✬ আমি থাকি তোমার প্রহরী তোমাকে যখন দেখি, তার চেয়ে বেশী দেখি যখন দেখিনা। - সুনীলগঙ্গোপাধ্যায়।
✬ আমি সেই নারীকে ভালবাসি যার অতীত আছে আর সেই পুরুষকে ভাল বাসি যার ভবিষ্যত আছে। - অস্কার ওয়াইল্ড।
✬ আমরা কোনোভাবেই ভালোবাসার ওপর মূল্য নির্ধারণ করতে পারি না, কিন্তু ভালোবাসার জন্য দরকারি সব উপকরণের ওপর মূল্য নির্ধারণ করতেই হবে। - ম্যালানি ক্লার্ক, আইরিশ অভিনেত্রী
✬ আর্থিক সচ্ছলতা বন্ধু আনে, কিন্তু ভালোবাসা আনে না ।-জোসেফ কনরাড
✬ কেউ যদি তোমার ভালবাসার মূল্য না বুঝে তবে নিজেকে নিঃস্ব ভেব না।জীবনটা এত তুচ্ছ না...
✬'কোনো কিছুকে ভালোবাসা হলো সেটি বেঁচে থাক তা চাওয়া।'……কনফুসিয়াস
✬ 'ছেলেরা ভালোবাসার অভিনয় করতে করতে যে কখন সত্যি সত্যি ভালোবেসে ফেলে তারা তা নিজেও জানে না। মেয়েরা সত্যিকার ভালোবাসতে বাসতে যে কখন অভিনয় শুরু করে তারা তা নিজেও জানে না।' ……সমরেশ মজুমদার
✬ জীবন যেন একটা ফুল আর জীবনের ভালোবাসা হলো মধু স্বরূপ → সেকেনা।
✬ জীবনে দুটো জিনিস খুবই কষ্টদায়ক।। একটি হচ্ছে, যখন তোমার ভালোবাসার মানুষ তোমাকে ভালোবাসে কিন্তু তা তোমাকে বলে না।। আর অপরটি হচ্ছে, যখন তোমার ভালোবাসার মানুষ তোমাকে ভালোবাসে না এবং সেটা তোমাকে সরাসরি বলে দেয়।-সেক্সপিয়ার
✬ 'যখন আপনি কাউকে ভালোবাসেন তখন আপনার জমিয়ে রাখা সব ইচ্ছেগুলো বেরিয়ে আসতে থাকে।'……এলিজাবেথ বাওয়েন
✬ যখন কোন পুরুষ কোন নারীকে ভালবাসে, তখন সে তার জন্য সব কিছু করতে পারে। কেবল তাকে ভালবেসে যেতে পারেনা।- অস্কার ওয়াইল্ড
✬ যাকে ভালবাস তাকে চোখের আড়াল করোনা। → বঙ্কিম চন্দ্র
✬ 'যে ভালোবাসা পেল না, যে কাউকে ভালোবাসতে পারল না, সংসারে তার মতো হতভাগা কেউ নেই।' ……কিটস্
✬ তুমি আমায় ভালবাস তাই তো আমি কবি আমার এ রূপ সে যে তোমার ভালবাসার ছবি । - কাজী নজরুল
✬ তুমি যদি কাউকে ভালোবাস,তবে তাকে ছেড়ে দাও।যদি সে তোমার কাছে ফিরে আসে,তবে সে তোমারই ছিল।আর যদি ফিরে না আসে,তবে সে কখনই তোমার ছিল না।-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
✬ দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম প্রেম বলে কিছু নেই। মানুষ যখন প্রেমে পড়ে, তখন প্রতিটি প্রেমই প্রথম প্রেম → হুমায়ূন আজাদ।
✬ দুটি জিনিস ছাড়া মানুষ সব লুকাতে পারে। এ দুটি হচ্ছে যদি সে মাতাল হয় আর যদি প্রেমে পড়ে। - এনাট ফেন্স।
✬ নারীর প্রেমে মিলনের সুর বাজে , আর পুরুষের প্রেমে বিচ্ছেদের বেদনা । - রবীন্দ্রনাথ
✬ প্রেম একটি চমৎকার অসুখ। কষ্ট পাওয়ার, তিলে তিলে, ধুকে ধুকে মরার জন্য এমন অসুখ খুব বেশী নেই। - তপংকর চক্রবর্তী।
✬ প্রেম একটি জলন্ত সিগারেট, যার শুরুতে আগুন এবং শেষ পরিণতি ছাই।- বার্নাডস।
✬ প্রেম মানুষকে শান্তি দেয়, কিন্তু স্বস্তি দেয় না → . বায়রন।
✬ 'প্রেমে পড়লে বোকা বুদ্ধিমান হয়ে ওঠে, বুদ্ধিমান বোকা হয়ে যায়।'……স্পুট হাসসুন
✬প্রেমের ব্যাপারে যদি কেউ জয়ী হতে চায়, তাহলে সে ক্ষেত্রে জয়ী হওয়ার একমাত্র অস্ত্র হলো পলায়ন করা। - নেপোলিয়ান।
✬ প্রেমের সাগরে নামার আগে জেনে নেওয়া ভাল, এ সমুদ্রের কোন তীরই হয় না। - সারসার সালানী।
✬ পাখিরা বাসা বাধে লতা পাতা দিয়ে, আর মানুষ বাধে ভালবাসা দিয়ে। → মুঃ ইসহাক কোরেশী
✬ পাগলী আমার ঘুমিয়ে পড়েছে মুঠোফোন তাই শান্ত, আমি রাত জেগে দিচ্ছি পাহারা মুঠোফোনের এই প্রান্ত, এ কথা যদি সে জানতো → নির্মলেন্দু গুণ।
✬ বারবার একই ব্যাক্তির প্রেমে পড়া সার্থক প্রেমের নিদর্শন। → ব্রোটন
✬ বিশ্বাস করুন,আমি কবি হতে আসিনি,আমি নেতা হতে আসি নি-আমি প্রেম দিতে এসেছিলাম,প্রেম পেতে এসেছিলাম-সে প্রেম পেলামনা বলে আমি এই প্রেমহীন নীরস পৃথিবী থেকে নীরব অভিমানে চির দিনের জন্য বিদায় নিলাম → কাজী নজরুল ইসলাম।
✬ বিয়ে হচ্ছে বুদ্ধির কাছে কল্পনার জয় আর দ্বিতীয় বিয়ে হচ্ছে অভিজ্ঞতার কাছে আশার জয়। - স্যামুয়েল জনসন, লেখক
✬ 'বন্ধুত্ব অনেক সময় ভালোবাসায় পর্যবসিত হয়, কিন্তু বন্ধুত্বের মধ্যে কখনও ভালোবাসা থাকে না' ……চার্লস কনটন
✬ বড় প্রেম শুধু কাছেই টানে না; ইহা দুরেও ছুড়ে ফেলে দেয়।- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।
✬ 'ভালোবাসা যখন অবদমিত হয়, তার জায়গা দখল করে ঘৃণা।'……হ্যাভনক এলিস
✬ 'ভালোবাসা পাওয়ার চাইতে ভালোবাসা দেওয়াতেই বেশি আনন্দ।'……জর্জ চ্যাপম্যান
✬ ভালোবাসা হচ্ছে একটা আদর্শ ব্যাপার আর বিয়ে হচ্ছে বাস্তব। আদর্শ ও বাস্তবতার দ্বন্দ্ব তাই কখনো নিষ্পত্তি হবে না। -গ্যেটে, কবি
✬ ভালোবাসায় পতনের জন্য কোনোভাবেই আমরা মহাকর্ষ-অভিকর্ষকে দায়ী করতে পারি না। - অ্যালবার্ট আইনস্টাইন, বিজ্ঞানী
✬ 'ভালোবাসতে শেখ, ভালোবাসা দিতে শেখ তাহলে তোমার জীবনে ভালোবাসার অভাব হবে না।'……টমাস ফুলার
✬ ভালোবাসা এবং যত্ন দিয়ে মরুভূমিতেও ফুল ফোটানো যায় → ..ডেভিড রস ।
✬ ভালোবাসা এবং ভয় একত্রে মিশ্রিত হতে পারে না → রেগনার্ড।
✬ ভালবাসা এমন একটি প্লাটফরম যেখানে সব মানুষ দাড়াতে পারে। → টমাস মিল্টন
✬ ভালবাসা যা দেয় তার চেয়ে বেশী কেড়ে নেয় । - টেনিসন
✬ ভালবাসা তালাবদ্ধ হ্রদয়ের দরজা মুহূর্তে খুলে দেয় । - টমাস
✬ মেয়েরা প্রথমবার যার প্রেমে পড়ে, তাকে ঘৃনা করলেও ভুলে যেতে পারে না। পরিষ্কার জল কাগজে পড়লে দেখবেন তা শুকিয়ে যাওয়ার পড়েও দাগ রেখে যায়....সমরেশ মজুমদার।
✬ সোনায় যেমন একটু পানি মিশিয়ে না নিলে গহনা মজবুত হয় না, সেইরকম ভালবাসার সঙ্গে একটু শ্রদ্ধা, ভক্তি না মিশালে সে ভালবাসাও দীর্ঘস্থায়ী হয় না।-নিমাই ভট্টাচার্য
✬ সত্যিকারের ভালবাসার তার পাত্র বা পাত্রীকে সুস্থ ও সুখী দেখতে চায় । - শরত্চন্দ্র
✬ সবকিছুর শুরু, মধ্য এবং অন্তই হচ্ছে প্রেম। → নফডেয়ার

প্রপোজ টিপস

প্রেম এর ক্ষেত্রে যেটা সবচাইতে বড় সেটা হল প্রপোজ করা। অনেকে ভেবে পান না যে কিভাবে প্রপোজ করবেন। আসলে প্রেম হবে কি না তা অনেকটা নির্ভর করে প্রপোজ করার ওপর। ভাল মত প্রপোজ করতে পারলে অনেক ক্ষেত্রে প্রেম হয়ে যায়। আজ আমি আপনাদের কয়েকটা প্রপোজ করার কৌশল শিখিয়ে দিচ্ছি। হয়তবা ভাল লাগবে।
Ø     মেয়েটার সামনে গিয়ে বলতে পারেন “ কিভাবে ভাল লাগার কথা বলতে হয় তা আমি জানি না। একটা বিদেশি সিনামার একটা অংশ দিয়ে বলছি- মেয়েটি
ছেলেটিকে বলল, তুমি যে আমাকে ভালবাস তোমার যোগ্যতা কি? ছেলেটার কোন যোগ্যতাই ছিল না মেয়েটিকে ভালবাসার জন্য। সে শুধু একটা কাজ ই পারত, একটা দেয়ালের সামনে গিয়ে মাথা পায়ের কাছে আর পা মাথার কাছে নিয়ে দাড়িয়ে থাকতে। সে তাই করলো। মেয়েটা তখন খিল খিল করে হেসে উঠলো। ছেলেটা তখন ম্লান গলায় বলল এই যোগ্যতায় কী ভালোবাসা যায়।  ঠীক তেমনি তোমাকে ভালবাসার কোন যোগ্যতাই আমার নেই শুধু একটি ছাড়া। আমি তোমার জন্য আমার জীবনটাও বিসর্জন দিতে পারি। এই যোগ্যতায় কি তুমি আর আমি দুই জনে এক সুতায় বাধা যায়।“

Ø  মেয়েটিকে বলতে পারেন “ আচ্ছা যদি তোমার সাথে আলাদীনের আশ্চরয প্রদীপের জিন এর দেখা হয় আর জিন যদি তোমার ৩ টা ইছ্ছা পূরণ করার কথা বলে তবে তুমি তার কাছে কী চাইবা। সে যেকোনো একটা উত্তর দিবে তখন আপনি বলবেন যদি আমার সাথে দেখা হত তবে আমি বলতাম তোমাকে চাই। দ্বিতীয় বারও বলতাম তোমাকে চাই। আর তৃতীয় বার বলতাম তুমি যেন সবসময় ভালো থাকো ।

Ø  সরসরি বলতে না পারলে একটু চালাকি করে এভাবে বলতে পারেন- “আমি তোমাকে দেখলেই সবকিছু হারিয়ে ফেলি। তবুও বলছি, আচ্ছা আমাদের জাতীয় সঙ্গীতের দ্বিতীয় লাইনটা যেন কি? মেয়েটা বলবে কেন, আমি তোমায় ভালবাসি। আসলে এই কথাটাই তোমাকে অনেকবার বলতে চেয়েছি কিন্তু পারি নি। হয়ত তোমাকে অনেক বেশি ভালবেসে ফেলেছি। তোমাকে ছেড়ে আর কিছুই ভাবতে পারি না। বল এখন আমি কি করব?’’

Ø  আর সব চাইতে ভাল হয় যদি কোন বিশেষ দিনে একটা বড় টকটকে লাল গোলাপ নিয়ে গিয়ে প্রপোজ করেন। তবে অবশ্যই প্রপোজ করতে হবে খুব কোমল কণ্ঠে যেটা শুনলেই মনে হয় একটা নিষ্পাপ মানুষ। কখনই ভাব নিতে যাবেন না। তাইলে কিন্তু হবে না। বিশেষ দিনটা হতে পারে তার জন্মদিন অথবা Valentine Day অথবা যে কোন বিশেষ দিন। তবে দেইখেন তার মন-মেজাজ যেন ফুরফুরা থাকে নইলে কিন্তু ঠাস-ঠাস থাপ্পরও খাইতে পারেন।

Ø  আসলে মেয়েদের পটানোর মুল মন্ত্র হল ভাং মারা মানে চাপা মারা। দেখতে যত খারাপ ই হোক না কেন অবশ্যই আপনাকে তার প্রশংসা করতে হবে। যে যত প্রশংসা করতে পারবে সে তত মেয়ে পটাইতে পারবে। আবার কইয়েন না যে, তুমি খুব সুন্দর। তোমার চেহারা ডানাকাটা একদম ক্যাটরিনা। যা চুল ..................। এইসব খ্যাত সাইজের কথা বললে প্রেম তো দুরের কথা হাতের থাপ্পর ও জুটবে না খাইতে হবে জুতার বারি। অবশ্যই প্রশংসা করতে হবে তবে একটু আলাদা ভাবে যা সবাই বলে না। কথা বলতে হবে একটু রহস্য করে, একটু কাব্যিক ভাবে।

Ø  আর একটি কাজ করতে পারেন, কোন বিশেষ দিনে রোমান্টিক কিছু বই গিফট করতে পারেন। আর বইয়ের ২/৩ নং পেজে কোন ছোট্ট কবিতার মাধ্যমে আপনার মনের কথা বলে দিতে পারেন। আবার বাজারের অশ্লীল রোমান্টিক বই দিয়েন না। রবীন্দ্রনাথ এর বই যেমন ‘শেষের কবিতা’,  শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, প্রমথ চৌধুরী প্রভৃতি লেখকের বই দিতে পারেন। যেগুলো পড়লে সে নিজেকেই সেই গল্পের নায়িকা ভাবতে থাকে আর নায়ক খুজতে থাকে। তখন সে একটু হলেও আপনার প্রতি দুর্বল হয়ে পরবে।

পরিশেষে একটা কথা বলি,  অপরিচিত, অজানা কাউকে হুট-হাট কইরা প্রপোজ কইরা নিজের Personality নষ্ট কইরেন না। প্রপোজ করার আগে দেইখা নিয়েন যাকে প্রপোজ করবেন সে আপনার প্রতি কতটুকু Interested, প্রপোজ করলে হ্যাঁ-বোধক উত্তর পাওয়ার সম্ভাবনা আছে কিনা।থাকলে কতটুকু। আসলে পরিস্থিতি বুঝে আপনাকে এগুতে হবে, এজন্য নিজের বুদ্ধি খাটানোটা বড় ব্যাপার। বুদ্ধি না থাকলে আর যাই সম্ভভ হোক প্রেম সম্ভভ না।আমি জানি আপনাদের সেটা আছে। So চুটাইয়া প্রেম করেন। আর আমার জন্য দোয়া কইরেন। আল্লাহ হাফেজ।Facebook এ আমাকে পেতে  এখানে ক্লিক  করুন।

[বিঃদ্রঃ প্রেম করা যাদের পেশা তাদের জন্য আমার এই লেখা নয়। প্রেম একটা মহৎ জিনিস, তাই প্রেম নিয়া কেউ ব্যবসা করবেন না।]

মেয়েদের মন পাওয়ার সহজ ১০ টিপস !!

সামনেই আসছে ভালোবাসা দিবস । অনেক ছেলেদের কাছেই দিন্টা হচ্ছে একাকিত্বে কাটানো আর মানুষের আনন্দ দেখে মন খারাপ করে ঘুরাঘুরি আর ফেসবুকিং করার একটা দিন । :| :| তবে মেয়েদের দ্বারা যেইসব ছেলে ইতিমধ্যে ছ্যাকা খেয়েছেন তাদের জন্য কষ্টটা আরো বেশি । :P :P আসেন আপনাদেরকে ১০টা উপদেশ দেই কিভাবে নারীদের পটিয়ে কাছে রাখতে পারবেন :প :P 
 Image result for how to propose

১) কখনোই আপনার দুর্বলতা উনার কাছে তুলে ধরবেন না । কারণ বেশিরভাগ নারীরাই তাদের দুর্বলতা আপনার কাছে বলতে চাইবে না , আর চাইলেও আপনি কখনোই এই ব্যাপারে কিছু বলবেন না জানে ! যদি না কোন ছেলে এতো বেশি খাটাশ হয় ! নারীদের দিয়া এই ব্যাপারে গালি খাওয়া প্রায় নিশ্চিত ! X( X( X(

২) আপনি কই আছেন না আছেন , কি দিয়া ভাত খাইছেন সব বলে ফেলুন ! কিন্তু ভুলেও আপনার উনি কোথায় আছে তা জানতে চাইবেন না !! X( X( X(

৩) আপনি যদি চাপাবাজ হইয়া থাকেন তাহলে আপনার জীবন তীব্র সুখে সুখময় হয়ে যাবে । কারণ উনাদের কাছে ভালোবাসার মানেই তেলমার্কা কথাবার্তা ! X( X( X(

৪) আপনার উনার অনেক ছেলেবন্ধু থাকতে পারে কিন্তু আপনার আপন বোন থাকতে পারবে না !! আপনি যদি কোন মেয়েকে আপনার বোন বানান তাহলে উনি অতি শ্রীঘি আপনার বোন ত্থেকে প্রেমিকা এরপরে বউ বানাইয়া ছাড়বে উনারে !! এই কথার তীর সহ্য করা অসম্ভব ।

৫) উনাকে প্রতিদিন ফোন দিয়ে নানান শুভেচ্ছা জানান । এইডস ডে থেকে শুরু করে জাতীয় পঙ্গু দিবসের শুভেচ্ছা জানাতেও ভুলবেন না ! ;) ;) ;)

৬) ভুলেও ফেসবুকে কোন মেয়ের ছবিতে লাইক বা কমেন্ট করবেন না ! আপনাকে বুঝাতে হবে আপনি শুধুমাত্র উনার জন্যই ফেসবুকের জগতে বসবাস করছেন ! কিন্তু উনার ফেসবুকে যেই লুতুপুতু কমেন্ট থাকবে তার ব্যাপারে একেবারে স্পীকারের মতো আচরণ করবেন ! /:) /:) /:)

৭) কখনোই বন্ধুদের সাথে ঘুরতে যাবেন না !! ছেলে বন্ধুদের সাথে বেশি ঘুরলে আপনাকে আপনার ওই সম্প্রদায়ের বলতে পারে !! সুতরাং ঘুরাঘুরি বাদ !:-/ :-/ :-/

৮) ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ২৬ ঘণ্টাই উনারে নিয়ে ভাবার ভান দেখান ! উনি আপনাকে নাহলে উয়ার আগের প্রেমিকগণ এবং বর্তমাণে লাইনে যারা আছে তাদের সাথে তুলনা করে বসবে ! :| :| :|

৯) নিজের প্রশংসা করবেন না ! ওইটা ভাগ্যে থাকলে শুনতে পারেন কদাচিৎ । কিন্তু উনি যদি বকের ঠ্যাং মার্কা কিছুও বলে আপনাকে তার প্রশংসা করতেই হবে ! :(( :(( :((

১০) নিজেকে উনার মতো করে গড়ে তুলুন । ফলস্বরুপ আপনি ব্যাক্তিত্বহীন মানুষে পরিণত হবেন আর নিজের মতো থাকলে চরিত্রহীন বলে গালি খাবেন তার কাছে !! :(( :(( :(( :((